![]() |
| মহাকাশের গঠন |
মহাকাশের গঠন কেমন?
রাতে আকাশের দিকে তাকালে অসংখ্য তারার ঝিলমিল দেখা যায়। কখনো কি ভেবেছেন, এই বিশাল মহাকাশ আসলে কিভাবে গঠিত? আমরা যে রাতের আকাশ দেখি, সেটি পুরো মহাবিশ্বের একেবারে ক্ষুদ্র অংশ। এর ভেতরে লুকিয়ে আছে অসংখ্য রহস্য, বিস্ময় আর অজানা গল্প। এই লেখায় আমরা খুব সহজ ও স্বাভাবিক ভাষায় জানার চেষ্টা করবো-মহাকাশের গঠন কেমন এবং এর ভেতরে কি কি রয়েছে।মহাবিশ্ব কি?
মহাবিশ্ব (Universe) বলতে আমরা আমাদের চারপাশে দুচোখে যা কিছু দেখি, তার সবকিছুকেই বোঝায়। শুধু আমরা যা চোখে দেখি তাই নয়। বরং যা দেখতে পাই না-সবকিছুই এর অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে- গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, গ্যাস, ধূলিকণা। আর সেই রহস্যময় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি। আরো সহজভাবে বললে- আপনি, আমি, পৃথিবী, আকাশ, বাতাস-এই সবকিছুই মহাবিশ্বের অংশ।
গ্রহ (Planet): গ্রহ হলো এমন বস্তু, যা একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে। যেমন-আমাদের পৃথিবী; যা সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
নক্ষত্র (Star): নক্ষত্র হলো বিশাল জ্বলন্ত গ্যাসের গোলক। যেগুলো নিজেরাই আলো ও তাপ তৈরি করে। আমাদের সূর্যও একটি নক্ষত্র।
সৌরজগৎ (Solar System): একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে তার চারপাশে থাকা গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু-সব মিলিয়ে তৈরি হয় একটি সৌরজগৎ।
ছায়াপথ (Galaxy): এখন একটু ভাবুন—কোটি কোটি নক্ষত্র এবং তাদের সৌরজগৎ একসাথে মিলে তৈরি করে একটি ছায়াপথ। আমাদের ছায়াপথের নাম মিল্কিওয়ে।
গ্যালাক্সি ক্লাস্টার (Galaxy Cluster)
অনেকগুলো ছায়াপথ আবার একত্রে জড়ো হয়ে তৈরি করে গ্যালাক্সি ক্লাস্টার।
সুপারক্লাস্টার (Supercluster)একাধিক ক্লাস্টার মিলে আরও বড় কাঠামো তৈরি করে, যাকে বলা হয় সুপারক্লাস্টার।
মহাবিশ্বের বৃহৎ কাঠামোসবশেষে এই সব স্তর মিলিয়ে গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব।যা দেখতে অনেকটা জালের মতো ছড়িয়ে আছে-একেই বিজ্ঞানীরা বলেন "কসমিক ওয়েব"।
যা দিয়ে আমরা, পৃথিবী, নক্ষত্র—সব তৈরি। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, এটি মোট মহাবিশ্বের মাত্র প্রায় ৫%।
ডার্ক ম্যাটার (Dark Matter)।
এটি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এর প্রভাব আছে। এটি মহাবিশ্বের প্রায় ২৭% জুড়ে রয়েছে।
ডার্ক এনার্জি (Dark Energy)।
এটি আরও রহস্যময়। এটি মহাবিশ্বকে ক্রমাগত প্রসারিত করছে এবং মোটের প্রায় ৬৮% অংশ দখল করে আছে।
সবকিছু ছিল অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত।
হঠাৎ এক বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে।
তারপর ধীরে ধীরে পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে।
গড়ে ওঠে নক্ষত্র, গ্যালাক্সি।
আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো-মহাবিশ্ব এখনো পর্যন্ত প্রসারিত হচ্ছে!
জালের মতো গঠন (Cosmic We)।
বিশাল কিন্তু প্রায় সমানভাবে ছড়ানোক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।
মহাকর্ষ শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
অদৃশ্য শক্তির (ডার্ক এনার্জি) আধিপত্য।
মহাকাশ গবেষণা ও আধুনিক আবিষ্কার।
মহাবিশ্বের গঠন: স্তরভিত্তিক ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বকে বুঝতে হলে এটিকে ধাপে ধাপে কল্পনা করা সবচেয়ে সহজ। চলুন একেবারে ছোট থেকে বড় এর দিকে যাই।গ্রহ (Planet): গ্রহ হলো এমন বস্তু, যা একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে। যেমন-আমাদের পৃথিবী; যা সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
নক্ষত্র (Star): নক্ষত্র হলো বিশাল জ্বলন্ত গ্যাসের গোলক। যেগুলো নিজেরাই আলো ও তাপ তৈরি করে। আমাদের সূর্যও একটি নক্ষত্র।
সৌরজগৎ (Solar System): একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে তার চারপাশে থাকা গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু-সব মিলিয়ে তৈরি হয় একটি সৌরজগৎ।
ছায়াপথ (Galaxy): এখন একটু ভাবুন—কোটি কোটি নক্ষত্র এবং তাদের সৌরজগৎ একসাথে মিলে তৈরি করে একটি ছায়াপথ। আমাদের ছায়াপথের নাম মিল্কিওয়ে।
গ্যালাক্সি ক্লাস্টার (Galaxy Cluster)
অনেকগুলো ছায়াপথ আবার একত্রে জড়ো হয়ে তৈরি করে গ্যালাক্সি ক্লাস্টার।
সুপারক্লাস্টার (Supercluster)একাধিক ক্লাস্টার মিলে আরও বড় কাঠামো তৈরি করে, যাকে বলা হয় সুপারক্লাস্টার।
মহাবিশ্বের বৃহৎ কাঠামোসবশেষে এই সব স্তর মিলিয়ে গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব।যা দেখতে অনেকটা জালের মতো ছড়িয়ে আছে-একেই বিজ্ঞানীরা বলেন "কসমিক ওয়েব"।
মহাবিশ্বের উপাদান
মজার বিষয় হলো—আমরা যা দেখি, সেটাই কিন্তু পুরো মহাবিশ্ব নয়! সাধারণ পদার্থ (Normal Matter)যা দিয়ে আমরা, পৃথিবী, নক্ষত্র—সব তৈরি। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, এটি মোট মহাবিশ্বের মাত্র প্রায় ৫%।
ডার্ক ম্যাটার (Dark Matter)।
এটি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এর প্রভাব আছে। এটি মহাবিশ্বের প্রায় ২৭% জুড়ে রয়েছে।
ডার্ক এনার্জি (Dark Energy)।
এটি আরও রহস্যময়। এটি মহাবিশ্বকে ক্রমাগত প্রসারিত করছে এবং মোটের প্রায় ৬৮% অংশ দখল করে আছে।
মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে?
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল এক বিশাল ঘটনার মাধ্যমে-যাকে বলা হয় বিগ ব্যাং।প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে-সবকিছু ছিল অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত।
হঠাৎ এক বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে।
তারপর ধীরে ধীরে পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে।
গড়ে ওঠে নক্ষত্র, গ্যালাক্সি।
আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো-মহাবিশ্ব এখনো পর্যন্ত প্রসারিত হচ্ছে!
মহাবিশ্বের কাঠামোর বৈশিষ্ট্য
মহাবিশ্বকে যতই জানি, ততই বিস্মিত হতে হয়। এর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো-জালের মতো গঠন (Cosmic We)।
বিশাল কিন্তু প্রায় সমানভাবে ছড়ানোক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।
মহাকর্ষ শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
অদৃশ্য শক্তির (ডার্ক এনার্জি) আধিপত্য।
মহাকাশ গবেষণা ও আধুনিক আবিষ্কার।
আজকের প্রযুক্তির যুগে মহাকাশ গবেষণা অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
আমরা যা জানতে পেরেছি-
ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলা হয়েছে।
গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ শনাক্ত করা হয়েছে।
হাজার হাজার বহির্জাগতিক গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।
মহাবিশ্ব দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে-এটি নিশ্চিত হয়েছে।
যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়-
হাজার হাজার বহির্জাগতিক গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।
মহাবিশ্ব দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে-এটি নিশ্চিত হয়েছে।
যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়-
স্পেস টেলিস্কোপ হাবল, জেমস ওয়েব,
রেডিও, টেলিস্কোপ,মহাকাশযান।
আমরা মহাবিশ্বের বেশিরভাগ অংশই দেখতে পাই না।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে লাগে মাত্র ৮ মিনিট।
ব্ল্যাক হোল আলো পর্যন্ত গ্রাস করতে পারে।
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে।
মহাকাশের গঠন শুনতে জটিল মনে হলেও, একটু ধীরে বুঝলে এটি খুব সুন্দরভাবে সাজানো একটি কাঠামো। ছোট গ্রহ থেকে শুরু করে বিশাল সুপারক্লাস্টার-সবকিছুই একে অপরের সাথে যুক্ত।
আমরা যত বেশি জানছি, ততই বুঝতে পারছি-মহাবিশ্ব আসলে কতটা বিস্ময়কর! ভবিষ্যতে হয়তো আরও নতুন আবিষ্কার আমাদের এই রহস্যময় মহাকাশকে আরও কাছ থেকে বুঝতে সাহায্য করবে।
মহাকাশ নিয়ে কিছু অবাক করা তথ্য-
মহাবিশ্বে তারার সংখ্যা পৃথিবীর বালুকণার চেয়েও বেশি।আমরা মহাবিশ্বের বেশিরভাগ অংশই দেখতে পাই না।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে লাগে মাত্র ৮ মিনিট।
ব্ল্যাক হোল আলো পর্যন্ত গ্রাস করতে পারে।
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে।
মহাকাশের গঠন শুনতে জটিল মনে হলেও, একটু ধীরে বুঝলে এটি খুব সুন্দরভাবে সাজানো একটি কাঠামো। ছোট গ্রহ থেকে শুরু করে বিশাল সুপারক্লাস্টার-সবকিছুই একে অপরের সাথে যুক্ত।
আমরা যত বেশি জানছি, ততই বুঝতে পারছি-মহাবিশ্ব আসলে কতটা বিস্ময়কর! ভবিষ্যতে হয়তো আরও নতুন আবিষ্কার আমাদের এই রহস্যময় মহাকাশকে আরও কাছ থেকে বুঝতে সাহায্য করবে।
তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আরো পড়ুনঃ

