ধূমকেতু কি?

Zamil Islam
0

ধূমকেতু কি? মহাকাশের রহস্যময় বরফময় অতিথি

রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ যদি দেখা যায়, অন্ধকারের বুক চিরে একটি উজ্জ্বল আলোর রেখা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে—তাহলে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে যাবে। এই রহস্যময় আলোকিত বস্তুটিই ধূমকেতু। শত শত বছর ধরে ধূমকেতু মানুষকে কৌতূহলী করেছে, ভয় দেখিয়েছে, আবার বিস্ময়েও ভরিয়ে দিয়েছে।প্রাচীন যুগে মানুষ মনে করত ধূমকেতু হয়তো কোনো অশুভ সংকেত। কেউ ভাবত যুদ্ধ আসছে, কেউ ভাবত দুর্ভিক্ষ বা বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞান আমাদের জানিয়েছে, ধূমকেতু আসলে সৌরজগতের এক অসাধারণ প্রাকৃতিক বস্তু।


ধূমকেতুকে অনেক সময় মহাকাশের “বরফময় অতিথি” বলা হয়। কারণ এটি মূলত বরফ, ধূলিকণা, গ্যাস ও পাথুরে পদার্থ দিয়ে তৈরি। সূর্যের কাছাকাছি এলে এর বরফ গলতে শুরু করে এবং তৈরি হয় উজ্জ্বল লেজ। সেই লেজই ধূমকেতুকে অন্য সব মহাজাগতিক বস্তুর থেকে আলাদা করে তোলে।

ধূমকেতু শুধু আকাশের সৌন্দর্য বাড়ায় না, বিজ্ঞানীদের কাছেও এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ধূমকেতুর মধ্যে এখনো সৌরজগতের শুরুর সময়কার উপাদান লুকিয়ে আছে বলে ধারণা করা হয়। তাই ধূমকেতু নিয়ে গবেষণা করলে কোটি কোটি বছর আগের মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানা যায়। এমনকি অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন, পৃথিবীতে পানি ও জীবনের প্রাথমিক উপাদান পৌঁছে দিতে ধূমকেতুর ভূমিকা ছিল। তাই ধূমকেতু নিয়ে মানুষের আগ্রহ কখনো কমে না।


ziodop.com
ধূমকেতু

ধূমকেতু কী?

ধূমকেতু হলো সৌরজগতের একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত আকর্ষণীয় মহাজাগতিক বস্তু। এটি মূলত বরফ, ধূলিকণা, গ্যাস এবং পাথুরে পদার্থ দিয়ে গঠিত। ইংরেজিতে একে Comet বলা হয়। “ধূমকেতু” শব্দটির অর্থ হলো ধোঁয়াযুক্ত চুল। কারণ আকাশে এর লম্বা উজ্জ্বল লেজ দেখতে অনেকটা ধোঁয়া বা ছড়িয়ে থাকা চুলের মতো লাগে। ধূমকেতু সাধারণত সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। তবে গ্রহগুলোর মতো এদের কক্ষপথ একেবারে গোলাকার নয়। বেশিরভাগ ধূমকেতুর কক্ষপথ অনেকটা লম্বাটে বা উপবৃত্তাকার।

সূর্য থেকে অনেক দূরে থাকলে ধূমকেতু শান্ত ও অন্ধকার থাকে। তখন এটি খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু সূর্যের কাছে এলে তাপের কারণে এর বরফ গলতে শুরু করে। তখন ধূমকেতুর চারপাশে গ্যাসের একটি উজ্জ্বল আবরণ তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে একটি দীর্ঘ লেজ দেখা যায়। এই লেজই ধূমকেতুর সবচেয়ে চমকপ্রদ বৈশিষ্ট্য। কখনো কখনো এই লেজ লক্ষ লক্ষ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। সূর্যের আলো পড়লে ধূমকেতু আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং পৃথিবী থেকে খালি চোখেও দেখা যায়। তাই ধূমকেতু সবসময় মানুষের কল্পনা ও কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।

এর গঠন উপাদান

ধূমকেতুর গঠন অনেকটা বরফ ও ধূলির মিশ্রণের মতো। বিজ্ঞানীরা প্রায়ই একে “Dirty Snowball” বা “ময়লা বরফের বল” বলে থাকেন। কারণ এর মধ্যে যেমন বরফ রয়েছে, তেমনি রয়েছে ধূলিকণা ও পাথুরে উপাদানও। ধূমকেতুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো বরফ। এই বরফ শুধু পানির নয়; এর মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, অ্যামোনিয়া এবং আরও বিভিন্ন ধরনের জমাট গ্যাস থাকে। সূর্যের কাছাকাছি এলে এই বরফ ধীরে ধীরে গলতে শুরু করে এবং গ্যাসে পরিণত হয়। তখন ধূমকেতুর চারপাশে গ্যাসের মেঘ তৈরি হয়।

এর সঙ্গে থাকে অসংখ্য ক্ষুদ্র ধূলিকণা। সূর্যের আলো এই ধূলিকণার ওপর পড়ে প্রতিফলিত হলে ধূমকেতু উজ্জ্বল দেখায়। এছাড়া ছোট ছোট পাথর ও খনিজ পদার্থও ধূমকেতুর অংশ। এগুলো ধূমকেতুর কেন্দ্রকে শক্ত রাখে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, ধূমকেতুর এই উপাদানগুলো সৌরজগতের একেবারে প্রাচীন সময়ের স্মৃতি বহন করে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সৌরজগত তৈরি হওয়ার পর যেসব পদার্থ অবশিষ্ট ছিল, তার অনেকটাই ধূমকেতুর মধ্যে এখনো সংরক্ষিত আছে। তাই ধূমকেতু নিয়ে গবেষণা মানে যেন সময়ের বহু পেছনে ফিরে যাওয়া।

ধূমকেতুর বিভিন্ন অংশ

ধূমকেতুকে বাইরে থেকে দেখলে শুধু একটি উজ্জ্বল লেজ চোখে পড়ে। কিন্তু এর ভেতরে কয়েকটি আলাদা অংশ রয়েছে, যেগুলো একসঙ্গে মিলে ধূমকেতুর গঠন তৈরি করে। ধূমকেতুর কেন্দ্রীয় অংশকে বলা হয় নিউক্লিয়াস। এটি বরফ, ধূলিকণা ও পাথুরে উপাদানে গঠিত। নিউক্লিয়াসই ধূমকেতুর আসল দেহ। এটি সাধারণত খুব ঠান্ডা এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। সূর্যের কাছাকাছি না আসা পর্যন্ত এটি খুব একটা সক্রিয় হয় না। সূর্যের তাপে নিউক্লিয়াসের বরফ গলতে শুরু করলে এর চারপাশে গ্যাসের একটি মেঘ তৈরি হয়। এই অংশকে বলা হয় কোমা। কোমা ধূমকেতুকে উজ্জ্বল দেখায় এবং অনেক সময় এটি পৃথিবী থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়।

এরপর আসে ধূমকেতুর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ—লেজ। আসলে ধূমকেতুর দুটি লেজ থাকতে পারে। একটি ধূলির লেজ, অন্যটি আয়ন লেজ। ধূলির লেজ সাধারণত সাদা বা হলুদাভ হয় এবং কিছুটা বাঁকানো দেখা যায়। অন্যদিকে আয়ন লেজ নীলাভ রঙের হয় এবং এটি প্রায় সোজা থাকে। মজার ব্যাপার হলো, ধূমকেতুর লেজ সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে। কারণ সূর্যের বিকিরণ ও সৌর বায়ু গ্যাস ও ধূলিকণাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।

কক্ষপথ ও গতিবিধি

ধূমকেতুর চলার ধরন সত্যিই বেশ রহস্যময়। এটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তবে গ্রহগুলোর মতো নিয়মিত ও কাছাকাছি কক্ষপথে নয়। বেশিরভাগ ধূমকেতুর কক্ষপথ অনেক দীর্ঘ এবং ডিম্বাকৃতির মতো।
কিছু ধূমকেতু কয়েক বছর পরপর ফিরে আসে। এগুলোকে স্বল্পমেয়াদি ধূমকেতু বলা হয়। আবার কিছু ধূমকেতুর ফিরে আসতে শত বা হাজার বছর লেগে যায়। এগুলো দীর্ঘমেয়াদি ধূমকেতু নামে পরিচিত।
ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন এর গতি বেড়ে যায়। একই সঙ্গে সূর্যের তাপে বরফ গলতে শুরু করে এবং ধূমকেতু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আবার সূর্য থেকে দূরে চলে গেলে এটি ধীরে ধীরে অন্ধকার ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

অনেক সময় বড় গ্রহগুলোর মহাকর্ষীয় শক্তিও ধূমকেতুর গতিপথ বদলে দিতে পারে। বিশেষ করে বৃহস্পতি গ্রহের প্রভাব অনেক ধূমকেতুর ওপর পড়ে। এ কারণেই ধূমকেতুর গতিপথ নিয়ে বিজ্ঞানীদের সবসময় গবেষণা করতে হয়। বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ধূমকেতুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং ভবিষ্যতে এটি কোথায় থাকবে, সেটাও অনেকটাই নির্ভুলভাবে বলতে পারেন।


ziodop.com
পৃথিবী থেকে ধূমকেতু

ধূমকেতুর উৎসস্থল

ধূমকেতু কোথা থেকে আসে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের অনেক দূরের অঞ্চলের সন্ধান পেয়েছেন। তাদের মতে, ধূমকেতুর প্রধান উৎস দুটি—কুইপার বেল্ট এবং ওর্ট মেঘ।
কুইপার বেল্ট হলো নেপচুন গ্রহের বাইরের একটি বিশাল বরফময় অঞ্চল। এখানে অসংখ্য ছোট ছোট বরফের বস্তু রয়েছে। এখান থেকেই অনেক স্বল্পমেয়াদি ধূমকেতুর জন্ম হয়। এই অঞ্চলকে অনেকটা মহাজাগতিক বরফের ভাণ্ডার বলা যায়।

অন্যদিকে ওর্ট মেঘ আরও রহস্যময়। এটি সৌরজগতের অনেক দূরে অবস্থিত একটি বিশাল গোলাকার অঞ্চল। ধারণা করা হয়, এখানে কোটি কোটি বরফময় বস্তু ছড়িয়ে রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ধূমকেতুগুলো সাধারণত এখান থেকেই আসে। কখনো কোনো নক্ষত্রের মহাকর্ষীয় টান বা মহাজাগতিক সংঘর্ষের কারণে এসব বরফময় বস্তু সৌরজগতের ভেতরের দিকে চলে আসে এবং ধূমকেতুতে পরিণত হয়। ধূমকেতুর উৎস নিয়ে গবেষণা বিজ্ঞানীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই অঞ্চলগুলোতে এখনো সৌরজগতের প্রাচীন ইতিহাসের চিহ্ন লুকিয়ে আছে।

হ্যালির ধূমকেতু (Halley’s Comet)

হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ধূমকেতু। এটি প্রায় প্রতি ৭৬ বছর পরপর পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। তাই একজন মানুষের জীবনে সাধারণত একবারই এটি দেখার সুযোগ হয়। ইংরেজ
জ্যোতির্বিজ্ঞানী Edmond Halley প্রথম বুঝতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময় পরপর দেখা যাওয়া ধূমকেতুটি আসলে একই বস্তু। পরে তার নাম অনুসারেই এর নাম রাখা হয় হ্যালির ধূমকেতু।

ইতিহাসে বহুবার এই ধূমকেতুর দেখা মিলেছে। ১০৬৬ সালে এটি দেখা যাওয়ার সময় ইংল্যান্ডে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছিল। তখন মানুষ এটিকে বিশেষ সংকেত হিসেবে দেখেছিল। আবার ১৯১০ সালে হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর খুব কাছে দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।
সবশেষ ১৯৮৬ সালে এটি দেখা গিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটি আবার ২০৬১ সালে পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান হবে। হ্যালির ধূমকেতু শুধু একটি মহাজাগতিক বস্তু নয়, এটি মানুষের কৌতূহল, ইতিহাস ও বিজ্ঞানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

ধূমকেতু ও উল্কাবৃষ্টির সম্পর্ক

রাতের আকাশে হঠাৎ অসংখ্য আলোর রেখা ছুটে যেতে দেখলে সেটিকে আমরা উল্কাবৃষ্টি বলি। মজার বিষয় হলো, এই উল্কাবৃষ্টির সঙ্গে ধূমকেতুর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ধূমকেতু যখন সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তখন এটি ধূলিকণা ও ক্ষুদ্র পাথরের টুকরো ছড়িয়ে দেয়। এই কণাগুলো ধূমকেতুর কক্ষপথ বরাবর ছড়িয়ে থাকে। পৃথিবী যখন সেই পথ অতিক্রম করে, তখন এসব কণা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে ওঠে। তখনই আমরা আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখতে পাই।পারসেইড ও লিওনিড পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত উল্কাবৃষ্টির মধ্যে অন্যতম। এগুলো ধূমকেতুর ফেলে যাওয়া ধূলিকণার কারণেই ঘটে। উল্কাবৃষ্টি শুধু দেখার জন্য সুন্দর নয়, এটি বিজ্ঞানীদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব কণা বিশ্লেষণ করে ধূমকেতুর গঠন ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞানে ধূমকেতুর গুরুত্ব

ধূমকেতু বিজ্ঞানীদের কাছে এক ধরনের মহাজাগতিক টাইম ক্যাপসুল। কারণ এর মধ্যে সৌরজগতের প্রাচীন উপাদান এখনো সংরক্ষিত রয়েছে বলে মনে করা হয়। তাই ধূমকেতু নিয়ে গবেষণা করলে কোটি কোটি বছর আগের মহাবিশ্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, পৃথিবীতে পানি পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ধূমকেতুর বড় ভূমিকা ছিল। কারণ ধূমকেতুতে প্রচুর পরিমাণে পানি বরফ থাকে। এছাড়া কিছু ধূমকেতুতে জৈব যৌগও পাওয়া গেছে। ফলে ধারণা করা হয়, পৃথিবীতে জীবনের প্রাথমিক উপাদানও ধূমকেতুর মাধ্যমে এসেছে। ধূমকেতু নিয়ে গবেষণার জন্য বিভিন্ন মহাকাশ মিশন পরিচালিত হয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার “Rosetta” মিশন এবং নাসার “Deep Impact” মিশন এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব মিশনের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ধূমকেতুর ভেতরের গঠন ও রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। ভবিষ্যতে ধূমকেতু নিয়ে আরও গবেষণা মানুষের মহাবিশ্ব বোঝার পথকে আরও সহজ করে তুলবে।


ziodop.com
হ্যালির ধূমকেতু

ধূমকেতু সত্যিই মহাকাশের এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। এর উজ্জ্বল লেজ যেমন মানুষকে মুগ্ধ করে, তেমনি এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা তথ্য বিজ্ঞানীদের জন্য অমূল্য সম্পদ। বরফ, গ্যাস ও ধূলিকণায় গঠিত এই রহস্যময় বস্তু আমাদের সৌরজগতের অতীত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।

হ্যালির ধূমকেতুর মতো বিখ্যাত ধূমকেতু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের কল্পনাকে নাড়া দিয়েছে। আবার উল্কাবৃষ্টির মতো সুন্দর প্রাকৃতিক ঘটনার সঙ্গেও ধূমকেতুর সম্পর্ক রয়েছে।আজ আধুনিক প্রযুক্তির কারণে বিজ্ঞানীরা ধূমকেতুর আরও গভীরে পৌঁছাতে পারছেন। ভবিষ্যতে হয়তো ধূমকেতু নিয়ে গবেষণাই আমাদের জানাবে পৃথিবীতে জীবনের শুরু কীভাবে হয়েছিল। তাই ধূমকেতু শুধু আকাশের একটি উজ্জ্বল বস্তু নয়; এটি মহাবিশ্বের ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী।

তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

আরো পড়ুনঃ 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!