দূর নীলিমায়
জামিল ইসলাম
দূর নীলিমায়—
সূর্য গেছে হেলে;
আলো পড়েছে ঢলে;
গোধুলী শেষে পাখিরা ফিরছে বাসায়,
একা বসে আছি এক বিষন্ন সন্ধ্যায়।
আকাশে রঙিন মেঘের খেলা,
সমুদ্রের বুকে ঢেউ দিচ্ছে দোলা;
হঠাৎ যেনো শুনি—
পেছনে এক মৃদু পদধ্বনি।
চারিদিকে বইছে এলোমেলো পবন;
মনে জাগলো পুলক, জাগলো শিহরণ।
সে দাঁড়িয়ে আছে,
আমার খুব কাছে,
নরম তুলোর মতো কোমল তার বুক।
গোধূলির আভায় লজ্জায় রাঙা তার মুখ।
সে এলো ধীরে ধীরে—
আমার হৃদয়ের কম্পন গেলো বেড়ে।
চোখে তার ছিলো যেনো প্রশ্ন হাজার,
এক গাল মিষ্টি হেসে আবার—
সে বললো,"তোমার নামটা বলো না আমায়"
যেমন নক্ষত্র গল্প বলে তারায় তারায়।
নদী যেমন গেয়ে ওঠে বৃষ্টির গান।
অমাবস্যার সাথে চাঁদ করে অভিমান।
সে বললো আরো, "আমার দিকে একটু তাকাবে কি?
আমাকে দেখে লজ্জা পেয়েছো নাকি?
বসন্তের এই হিম শীতল সন্ধ্যায়—
তোমার হৃদয়ের কথা এখনো লুকিয়ে রাখবে নাকি?"
আমি ফিরলাম তার দিকে এবার,
বুকে নিয়ে কিঞ্চিৎ ভয়,
চোখে নিয়ে কিছুটা বিস্ময়—
আলতো করে তার হাত ধরে;
দেখি শিশির পড়ছে কাকডাকা ভোরে।
চারপাশে জোনাকি হাজার হাজার
আলোতে চারপাশ ভরে গেছে আমার।
এতো এক অদ্ভ
নয় সে কিম্ভুত;
এ তো সেই মায়াবী জগৎ!
এক ঝড়ো বাতাস গেলো বয়ে;
সেই সুকেশী–রুপসী গেলো হারিয়ে!
আমার ঘুম গেলো উড়ে—
নিস্তব্ধ কাকডাকা ভোরে;
শূন্যে দিলাম আমার হাত দুটি বাড়িয়ে;
কিন্তু একি!
এতোক্ষণ সব স্বপ্ন ছিলো নাকি!
রচনাকাল: ০২ চৈত্র ১৪৩১।
দূর নীলিমায় কবিতার ব্যবহার বিধিমালাঃ
দূর নীলিমায় কবিতাটি জামিল ইসলামের একটি মৌলিক রচনা। এই কবিতাটি চাইলে আপনারা আপনাদের যেকোনো সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বা ওয়েবসাইটে পোস্ট করতে পারবেন। তবে আপনারা এই কবিতাটি সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারবেন না। আপনারা যেকোনো প্ল্যাটফর্মে এই কবিতার প্রথম চার স্তবক পোস্ট করতে পারবেন। তবে আপনারা এই কবিতাটি অন্য কোথাও পোস্ট করলে অবশ্যই লেখক জামিল ইসলামের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ziodop.com থেকে এই কবিতার লিঙ্ক দিতে হবে অথবা সোর্স হিসেবে ziodop.com এর নাম উল্লেখ করতে হবে। আর অবশ্যই লেখক জামিল ইসলামের নাম উল্লেখ করতে হবে এবং কবিতার শেষে উল্লেখ করতে হবে যে, "এই কবিতাটি সংক্ষেপিত"। তবে লেখকের অনুমতি ছাড়া এই কবিতার যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যবহার সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো ব্যাক্তি এর কোনো রকম ব্যতিক্রম করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে যাবতীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

