![]() |
| ziodop.com |
মহাবোকা
জামিল ইসলাম
মহাবোকা হদ্দবোকা
আস্ত গাঁধার গাঁধা,
পরেতে যে ভক্তি করে
নামেতে শাহজাদা।
নিজের গোলা উজাড় করে
পরের গোলা যে ভরে,
তার মতো কে গাঁধা আছে
এই জমিনের পরে?
এমন গাঁধা কত ছিলো
আমার সোনার দেশে,
এমন পাপী সব চলে গেছে
বানের জলে ভেসে।
আরো এমন কত গাঁধা
আছে দেশের কোণে,
পরের গোলা ভরতে যাদের
সাধ জাগে রে মনে।
মহা গাঁধা সেই নরপাপী
পরে ভজে যেজন,
দেশের তরে তিল পরিমাণ
কাঁদে না যার মন।
দেশের ক্ষতি করে যারা
পরের ভালো করে,
ধিক ধিক ধিক শতধিক
সেই অধমের তরে।
এমন গাঁধা তোদের মাঝে
আছে কি রে কেউ?
থাকে যদি কেউ বলিস তারে
সে মানুষ নামের ফেউ।
সে নরাধম তলিয়ে যাবে
কালের গহ্বরে,
মানুষের ঘৃণা পাবে সেজন
শত জনম ধরে।
পাপীর চেয়েও পাপী রে সে
এই জগতের পরে,
দেশের মানুষ নামটি তাহার
স্মরিবে ঘৃণা ভরে।
পরদেশে না মজে যেজন
দেশকে বাসে ভালো,
নরকূলে সে ধন্য হয়ে
জগতে ছড়ায় আলো।
এমন আলো ফুটে উঠুক
পৃথিবীর প্রতি কোণে,
মানুষ হয়েই মরি যেনো
সেবে সর্বজনে।
রচনাকাল: ৩০ ফাল্গুন ১৪৩১।
আরো পড়ুনঃ
মহাবোকা কবিতার ব্যবহার বিধিমালাঃ
মহাবোকা কবিতাটি জামিল ইসলামের একটি মৌলিক রচনা। এই কবিতাটি চাইলে আপনারা আপনাদের যেকোনো সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বা ওয়েবসাইটে পোস্ট করতে পারবেন। তবে আপনারা এই কবিতাটি সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারবেন না। আপনারা যেকোনো প্ল্যাটফর্মে এই কবিতার প্রথম চার স্তবক পোস্ট করতে পারবেন। তবে আপনারা এই কবিতাটি অন্য কোথাও পোস্ট করলে অবশ্যই লেখক জামিল ইসলামের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ziodop.com থেকে এই কবিতার লিঙ্ক দিতে হবে অথবা সোর্স হিসেবে ziodop.com এর নাম উল্লেখ করতে হবে। আর অবশ্যই লেখক জামিল ইসলামের নাম উল্লেখ করতে হবে এবং কবিতার শেষে উল্লেখ করতে হবে যে, "এই কবিতাটি সংক্ষেপিত"। তবে লেখকের অনুমতি ছাড়া এই কবিতার যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যবহার সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো ব্যাক্তি এর কোনো রকম ব্যতিক্রম করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে যাবতীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

